আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3500 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করছিল। 1.3500 লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের ফলে পাউন্ড ক্রয়ের পরিকল্পনা #2 কার্যকর করার সুযোগ পাওয়া গিয়েছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 25 পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়।
যদি মার্চ মাসের মার্কিন ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে কেবল ছোটখাট আলোড়ন সৃষ্টি করে থাকে, তবে গতকাল প্রকাশিত দেশটির উৎপাদন মূল্য সূচকের (PPI) ফলাফল বাস্তবিক অর্থে একটি চমকপ্রদ ফলাফল ছিল। এপ্রিল মাসে এই সূচক মাসিক ভিত্তিতে 1.4% এবং বার্ষিক হিসেবে 6.0% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধরণের ফলাফল কাঠামোগত প্রবণতাগুলোকে নিশ্চিত করে, যা ফেডারেল রিজার্ভকে বর্তমানে যে অবস্থায় আছে তার তুলনায় আরও সক্রিয় হতে বাধ্য করবে।
আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্য থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা ব্রিটিশ পাউন্ডের এক্সচেঞ্জ রেটে লক্ষণীয় প্রভাব ফেলতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা এবং বিনিয়োগকারীরা বিশেষত জিডিপি প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত দিকে নিবিড় মনোযোগ দেবেন, যা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ হতাশাজনক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, এবং এই ক্ষেত্রে তেমন বিশেষ ইতিবাচক ফলাফল প্রত্যাশা করা কঠিন। শিল্প উৎপাদনের নেতিবাচক ফলাফল হলে তা সাপ্লাই-চেইন সংকট, ভোক্তা চাহিদা হ্রাস, বা উৎপাদন কার্যক্রমকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করা অন্যান্য কারণের ইঙ্গিত দিতে পারে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল যদি পূর্বাভাসের তুলনায় নেতিবাচক তবে তা নিঃসন্দেহে ব্রিটিশ পাউন্ডের ওপর চাপ বাড়িয়ে দেবে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3570-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3533-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3570-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যে আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3508-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3533 এবং 1.3570-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3508-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে1.3458-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আসন্ন জিডিপি প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3533-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3508 এবং 1.3458-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।