আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1657 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ইউরো কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকবৃন্দ যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছেছেন এমন খবর প্রকাশের পরে ইউরোর দর তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে। এই খবর নিঃসন্দেহে কারেন্সি মার্কেটে উল্লেখযোগ্য উঠানামা সৃষ্টি করতে পারত। দীর্ঘ উত্তেজনার পর দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি কমিয়ে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতাকে বাড়াতে পারে; এমন পরিস্থিতিতে ট্রেডাররা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে—যার ফলশ্রুতিতে তাঁরা মার্কিন ডলার বিক্রি করে ইউরো ক্রয় করছে।
আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোনের বেকারত্ব হার এবং উৎপাদন খাতের PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা সম্ভবত এই পেয়ারের উপর প্রভাব বিস্তার করবে। এই সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো ইউরোপীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং এগুলো প্রকাশিত হলে কারেন্সি মার্কেটে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা যেতে পারে। বিনিয়োগকারী ও ট্রেডাররা এসব সূচকের ফলাফল মাধ্যমে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে ইসিবির পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ সম্পর্কে পূর্বাভাস নির্ধারণ করবে। ইউরোজোনের বেকারত্ব হার একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচক; বেকারত্ব হার কমলে সাধারণত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নতির, ভোক্তা চাহিদা বৃদ্ধির এবং ফলস্বরূপ মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত মেলে।
উৎপাদন খাতের PMI প্রতিবেদনের ফলাফল উক্ত খাতের কার্যক্রমের মাত্রা প্রতিফলিত করে, যা ইউরোপীয় অর্থনীতির একটি স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। সূচকটির ফলাফল 50-এর উপরে থাকলে তা উৎপাদন কার্যকলাপের সম্প্রসারণ নির্দেশ করে, আর 50-এর নিচে ফলাফল সংকোচনের ইঙ্গিত দেয়। PMI প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল বাড়তি উৎপাদন, নতুন অর্ডার ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি নির্দেশ করে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক; অন্যদিকে দুর্বল ফলাফল এই খাতে সংকট ও ঝুঁকি ইঙ্গিত করতে পারে।
দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি প্রধানত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1605-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1670-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1605-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ ইউরোজোনে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1647-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1670 এবং 1.1705-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1647-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1608-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1670-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1647 এবং 1.1608-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।