আরও দেখুন
বুধবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, কিন্তু এর মধ্যে একটিমাত্র প্রতিবেদনই মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। মনে রাখবেন যে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৩.৮%-এ পৌঁছেছে এবং মে মাসের শেষে তা ৪.২% পর্যন্ত বাড়তে পারে। সুতরাং, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং ২০২৬ সালে মার্কিন শ্রমবাজারে ইতিবাচক পরিস্থিতির পুনরুদ্ধার ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতি কঠোর করার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অধিকন্তু, এটি বছরের শেষে না হয়ে, যেমনটা বর্তমানে অনেকে আশা করছেন, তার অনেক আগেই ঘটতে পারে। আগামী সপ্তাহেই ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং আমরা জানতে পারব যে কেভিন ওয়ার্শের অধীনে ফেড কীভাবে দ্রুত ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে আজ তেমন কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না।
বুধবার তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, অন্যদিকে ফেড এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বৈঠক আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত রয়েছে। তাই, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধিরা এই মুহূর্তে মুদ্রানীতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। তারা "নীরব" রয়েছেন। এই সপ্তাহে ইসিবির সুদের হার বৃদ্ধি প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, কিন্তু ইউরো বর্তমানে এর থেকে কোনো সুবিধা আদায় করতে পারবে বলে মনে হয় না।
ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট হতাশাজনকই রয়ে গেছে, কারণ ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে এবং আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কাছাকাছি চলে এসেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এখনও আলোচনা চলছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, তা "খুবই সফল" হচ্ছে। তবে, কূটনৈতিক উদ্যোগের সাফল্যের ব্যাপারে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। বরং ঠিক তার উল্টোটা ঘটছে। উভয় পক্ষই নিয়মিতভাবে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করছে এবং ইরান ধারাবাহিকভাবে ট্রাম্পের শান্তি স্থাপনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীর উপর একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন সপ্তাহ শুরু হয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটন শান্তি চুক্তির কতটা কাছাকাছি এসে পৌঁছেছে, তা নিজেই বিচার করুন...
চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারই তুলনামূলকভাবে সক্রিয়ভাবে ট্রেডিং করা হতে পারে, কারণ আজ গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক খবর আসতে পারে এবং মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ ইউরো 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3380-1.3386 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে। কারেন্সি মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই এখনও মূল প্রভাব বিস্তার করছে।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।