আরও দেখুন
সোমবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের খুব একটা অস্থিরতা দেখা যায়নি, আবার কোনো নিম্নমুখী প্রবণতাও লক্ষ্য করা যায়নি। অর্থাৎ, এই পেয়ারের মূল্যের কোনো ধরনের কারেকশনের প্রচেষ্টাও পরিলক্ষিত হচ্ছে না; বরং পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় এটির মূল্য কার্যত স্থির হয়ে আছে। মঙ্গলবার মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন বা খবর আসার সম্ভাবনা কম। যদিও আজ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, তবে সেগুলোর গুরুত্ব খুবই কম। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো বুধবার প্রকাশিত হবে: যার মধ্যে রয়েছে পিসিই সূচক, ডিউরেবল গুডস অর্ডার এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকের জিডিপির দ্বিতীয় প্রাক্কলন। তবে সত্যি বলতে, এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে আমরা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্টের আশা করছি না। বর্তমানে ট্রেডাররা মূলত ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক, ফেডারেল রিজার্ভ, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতি, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ এবং দেশটির সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মতো বিষয়গুলোর ওপর মনোযোগ দিচ্ছে। তাই এই মুহূর্তে জার্মানির বিজনেস ক্লাইমেস সূচক বা ডিউরেবল গুডস অর্ডারের মতো প্রতিবেদনগুলোর খুব একটা গুরুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
সোমবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি বা দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। তবে সারাদিন ধরে মার্কেটের মুভমেন্ট এতটাই অসংলগ্ন এবং টেকনিক্যাল লেভেলগুলোর সাথে সম্পর্কহীন ছিল যে, মার্কেটে এন্ট্রি না করাই ভালো ছিল। নতুন ট্রেডাররা হয়তো প্রথম সেল সিগন্যাল অনুযায়ী ট্রেড করার চেষ্টা করতে পারতেন; এই সিগন্যালটি 1.3631-1.3641 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেশনের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। সিগন্যালটি থেকে কোনো মুনাফা পাওয়া না গেলেও, এটি কাজে লাগানোর একটি সুযোগ ছিল।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। আমাদের মতে, স্থানীয় কারণগুলো পাউন্ডকে সহায়তা না করলেও এটির মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ চ্যানেলের লোয়ার বাউন্ডারি থেকে আপার বাউন্ডারির দিকে উঠতে শুরু করেছে এবং এই মুভমেন্ট এখনও সম্পন্ন হয়নি। মার্কেটে সেপ্টেম্বরে ফেড কর্তৃক সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা বিলীন হতে শুরু করেছে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। শুধুমাত্র ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে অ্যাসেন্ডিং চ্যানেলের নিচে এই পেয়ারের মূল্য়ের কনসলিডেশন হলে এই পেয়ারের দরপতনের প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3631-1.3641 এরিয়ার নিচে স্থিতিশীল হলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3587-1.3598-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে এই পেয়ারের মূল্য 1.3631-1.3641 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3695-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3456-1.3476, 1.3587-1.3598, 1.3631-1.3641, 1.3695, এবং 1.3741। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই এবং যুক্তরাষ্ট্রেও কেবল কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ফলে, সারাদিন ধরে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির মতো তেমন কোনো বিষয় থাকবে না এবং মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।